বিসমার্কের রক্ত ও লৌহনীতি কী? এবং তিনি কেন এই নীতি গ্রহণ করেছিলেন? || Blood And Iron Policy Of Bismarck

 

বিসমার্কের রক্ত ও লৌহনীতি কী? এবং তিনি কেন এই নীতি গ্রহণ করেছিলেন? || Blood And Iron Policy Of Bismarck

Blood And Iron Policy Of Bismarck ; নবম শ্রেণীর ইতিহাস তৃতীয় অধ্যায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন -'বিসমার্কের রক্ত ও লৌহনীতি কী? এবং বিসমার্ক কেন রক্ত ও লৌহনীতি গ্রহণ করেছিলেন?'। এই ব্লগ পোস্টে আমরা এই প্রশ্নের উওর তোমাদের সঙ্গে শেয়ার করবো।

বিসমার্কের রক্ত ও লৌহনীতি গ্রহণ করার কারণ

উনবিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে ইতালির মতো জার্মানিও অনেকগুলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে ক্ষুদ্র বিভক্ত ছিল। জার্মানি এরকম ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত থাকায় প্রত্যেকটা অঞ্চল তুলনামূলকভাবে অত্যন্ত দুর্বল ছিল। দুর্বল থাকার প্রধান কারণ ছিল জার্মানির প্রতিটা অঞ্চল সবসময় নিজেদের মধ্যে কোনো না কোনো কারণে সংঘর্ষে লিপ্ত থাকতো। তাদের এই নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষে লিপ্ত থাকার সুযোগ নিয়ে বা তাদের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে অন্যান্য ফ্রান্স, অস্ট্রিয়া সহ অন্যান্য কিছু রাষ্ট্র জার্মানির বেশ কিছু অঞ্চল দখল করে নেয়। এরুপ পরিস্থিতিতে প্রাশিয়ার জার প্রথম উইলিয়াম- জার্মানি দখল করা থাকা সমস্ত শক্তিকে সরিয়ে ঐক্যবদ্ধ জার্মান রাষ্ট্র গঠন করার দায়িত্ব দেয় বিসমার্কের হাতে। জার্মানি সমস্ত অঞ্চলকে ঐক্যবদ্ধ করে ঐক্যবদ্ধ জার্মান রাষ্ট্র গঠন করার জন্য তিনি বিসমার্কের জার্মানির প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত করেন।। বিসমার্ক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হওয়ার পরেই তিনি তাঁর রক্ত ও লৌহনীতি প্রয়োগ করেন।

আরও অনেক নোট পেতে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে জয়েন করো👉 : এখানে ক্লিক করো

বিসমার্কের রক্ত ও লৌহনীতি কী? || Blood And Iron Policy Of Bismarck 

প্রাশিয়ার রাজা প্রথম উইলিয়াম বিসমার্ককে জার্মানির প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত করার পর বিসমার্ক রক্ত ও লৌহ নীতি গ্রহণ করেন।। প্রাশিয়ার আইনসভায় তিনি ঘোষণা করেছিলেন যে- 'বক্তৃতা বা ভোটের দ্বারা নয়,রক্ত ও লৌহ নীতির দ্বারাই জটিল সমস্যার সমাধান হবে।'- অর্থাৎ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অঞ্চল নিয়ে ঐক্যবদ্ধ জার্মান রাষ্ট্র গঠন করা সম্ভব হবে। বিসমার্কের রক্ত ও লৌহনীতি বলতে বোঝায় ঐক্যবদ্ধ ও জার্মান রাষ্ট্র গঠন করার ক্ষেত্রে তার লৌহের মতো কঠিন, দৃঢ় সিদ্ধান্ত বা মানসিকতা। অপরদিকে ঐক্যবদ্ধ জার্মান রাষ্ট্র গঠন করার ক্ষেত্রে যেসমস্ত বাধা বিপত্তি আসবে, সেই সমস্ত বাধা-বিপত্তি দূর করার ক্ষেত্রে যদি রক্তপাতও করতে হয় অর্থাৎ যুদ্ধেও নামতে হয়, তাহলেও তিনি পেছনে ফিরে আসবেন না। সুতরাং লোভের মতো কঠিন দৃঢ় মানসিকতা এবং রক্তক্ষরণের মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধ জার্মান রাষ্ট্র গঠন করার উদ্দেশ্যই হলো বিসমার্কের রক্ত ও লৌহনীতি।।

আরও পড়ো👉 ; কনফেডারেশন অফ দি রাইন কী?

Read More👉 ; নব্যবঙ্গ গোষ্ঠীর আন্দোলন

ধন্যবাদ।।